ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দাবিকে তাঁর স্বভাবসুলভ বাগাড়ম্বর এবং রাজনৈতিক ‘স্ট্যান্ডবাজি’ ছাড়া আর কিছু নয় বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হুংকার দিয়ে বলেন, “যদি সৎসাহস থাকে, তবে নিজের আমলের সব অপরাধ স্বীকার করে অবিলম্বে দেশে ফিরে আসুন এবং স্বাধীন আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আইনের মুখোমুখি হোন।”
মঙ্গলবার (২৬ মে ২০২৬) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
যানজটমুক্ত স্বস্তির ঈদযাত্রা:
আসন্ন ঈদুল আজহার প্রস্তুতি ও দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রিজভী বলেন, বর্তমান সরকারের নানামুখী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে এবার দেশের মানুষ অভূতপূর্ব স্বস্তির মধ্যে ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াতে যে তীব্র নিরাপত্তাহীনতা ও চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট ছিল, এবার তা সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সড়কের সব ধরনের অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় সড়ক মন্ত্রণালয় ও হাইওয়ে পুলিশ অত্যন্ত তৎপর থাকায় এবার ঈদযাত্রায় মহাসড়কগুলোতে তেমন কোনো যানজট সৃষ্টি হয়নি।
তিনি আরও যোগ করেন, ঈদকে কেন্দ্র করে সারা দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সন্তোষজনক ও নিয়ন্ত্রণে আছে।
১০০ দিনের সাফল্য ও ভবিষ্যৎ প্রতিশ্রুতি:
সরকারের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে রিজভী বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম ১০০ দিনেই বর্তমান সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ও সংস্কার এজেন্ডা বাস্তবায়নে যে অভূতপূর্ব কর্মতৎপরতা দেখিয়েছে, তা জনগণের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, আগামী দিনেও জনগণকে দেওয়া প্রত্যেকটি সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এমপি সহ দলের কেন্দ্রীয় ও অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।







