গাজায় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপ বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত লাইনের পেছনে তাদের সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে, যার ফলস্বরূপ উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি পরিবারগুলো তাৎক্ষণিকভাবে উত্তরের দিকে ফিরতে শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
শুক্রবার সকালেই ইসরায়েল সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন
বৃহস্পতিবার রাতে দীর্ঘ আলোচনার পর শুক্রবার ভোরের দিকে ইসরায়েলের সরকার যুদ্ধবিরতি চুক্তির “প্রথম ধাপের” আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়। এই অনুমোদনের মধ্য দিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গাজায় সংঘাত বন্ধ হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে। এই ধাপে জিম্মি বিনিময় এবং ইসরায়েলের আংশিক সেনা প্রত্যাহার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এদিকে, হামাসের প্রধান আলোচক খলিল আল-হায়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তাঁরা মধ্যস্থতাকারী এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে গ্যারান্টি পেয়েছেন যে প্রথম ধাপের এই চুক্তির অর্থ হলো গাজায় যুদ্ধ “সম্পূর্ণভাবে শেষ হয়েছে”।
জিম্মি মুক্তির সময়সীমা ও মানবিক বিপর্যয়
চুক্তি অনুযায়ী, হামাসকে ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার জন্য ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। যদিও এই চুক্তি দীর্ঘস্থায়ী শান্তির বৃহত্তর পরিকল্পনার সঙ্গে কীভাবে মানানসই হবে, সেই বিস্তারিত দিকগুলো এখনো পরিষ্কার নয়।
নয়াদ মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গাজায় ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় ঘটেছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের হামলায় গাজায় এ পর্যন্ত ৬৭,১৯৪ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ১,৬৯,৮৯০ জন আহত হয়েছেন। এই চুক্তির ফলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ফিরে আসবে বলে আশা করছে বিশ্ববাসী।
সূত্র- আলজাজিরা







