রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার এক ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আজ রোববার (৭ জুন ২০২৬) রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে এই কম্পন টের পান দেশের সাধারণ মানুষ। ভূমিকম্পের আকস্মিকতায় বহুতল ভবনের বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও তাৎক্ষণিকভাবে দেশের কোথাও কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ভূমিকম্পের মাত্রা ও উৎপত্তিস্থল
গুগলের ‘অ্যান্ড্রয়েড আর্থকোয়েক অ্যালার্ট সিস্টেম’ (Android Earthquake Alert System) এবং আন্তর্জাতিক ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থাগুলোর প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী:
-
রিখটার স্কেলে মাত্রা: ৫.৩ (পাঁচ দশমিক তিন)।
-
উৎপত্তিস্থল: প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভুটানের পুনাখা (Punakha) শহর থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার দূরে মাটির গভীরে এই ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।
-
প্রভাবিত অঞ্চল: ভুটান এই ভূমিকম্পের মূল কেন্দ্রবিন্দু হওয়ায় সেখানে সবচেয়ে বেশি কম্পন হয়েছে। তবে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ভুটানের পাশাপাশি বাংলাদেশ, ভারত এবং চীনের বিস্তীর্ণ সীমান্ত ও পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতেও এই ভূ-কম্পন স্পষ্ট অনুভূত হয়েছে।
সারাদেশের পরিস্থিতি
ঢাকার পাশাপাশি দেশের উত্তরাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলো—বিশেষ করে রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, সিলেট ও ময়মনসিংহে তুলনামূলকভাবে বেশি কম্পন অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। রাতের বেলা হঠাৎ করে ভবন কেঁপে ওঠায় অনেক এলাকার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে বহুতল ভবন থেকে খোলা রাস্তায় নেমে আসেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তর ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং যেকোনো ধরনের আফটারশক (Aftershock) বা পরবর্তী মৃদু কম্পনের বিষয়ে নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।







