মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক কেন্দ্র কাতার আজ ইসরায়েলি হামলার সাক্ষী হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলি বিমান বাহিনী দোহার একটি আবাসিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে, যার লক্ষ্য ছিল হামাসের সিনিয়র নেতারা। এই হামলাটি এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো সংঘটিত হয়েছে।
আল জাজিরা, রয়টার্স এবং অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের মতো সংবাদ সংস্থাগুলো এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য না এলেও, তাদের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান যে, এই হামলা ছিল হামাস নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চলমান অভিযানের একটি অংশ।
হামাস এবং ইসরায়েলের মধ্যে জিম্মি মুক্তি এবং যুদ্ধবিরতি নিয়ে কাতারের রাজধানী দোহায় বছরের পর বছর ধরে গোপন আলোচনা চলছে। এই হামলার মাধ্যমে ইসরায়েল শুধু হামাস নেতাদেরই নয়, বরং কাতারের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার ওপরও আঘাত হেনেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপটি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর একটি কঠোর নীতি প্রতিফলিত করে। নেতানিয়াহু এবং তার সামরিক নেতৃত্ব বার বার ঘোষণা দিয়েছেন যে, তারা হামাসকে পুরোপুরি নির্মূল না করা পর্যন্ত থামবেন না, এমনকি যদি তাদের লক্ষ্যবস্তু বিদেশি মাটিতেও অবস্থান করে।
যদিও এই হামলা ইসরায়েলের উদ্দেশ্যকে প্রতিফলিত করে, এটি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কাতার এবং অন্যান্য আরব দেশগুলো এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা অঞ্চলে নতুন করে কূটনৈতিক সংকট তৈরি করতে পারে।







