বাংলাদেশের দুর্বল পাঁচ ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করার প্রক্রিয়ায় সরকারের সম্মতি পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সূত্র জানায়, একীভূতকরণের জন্য ৩৫ হাজার ২০০ কোটি টাকার একটি মূলধন কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকার ২০ হাজার ২০০ কোটি টাকা দেবে, আমানত বিমা ট্রাস্ট ফান্ড থেকে ৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা নেওয়া হবে এবং বাকি ৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা শেয়ারে রূপান্তর করা হবে।
কেন একীভূতকরণ?
গত কয়েক বছরে ইসলামী ব্যাংকগুলো ব্যাপক অনিয়ম, লুটপাট ও খেলাপি ঋণের কারণে সংকটে পড়ে। বাংলাদেশ ব্যাংকের Asset Quality Review (AQR) প্রতিবেদনে দেখা গেছে, পাঁচটি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ৪৮% থেকে ৯৮% পর্যন্ত। এর ফলে আমানতকারীরা টাকা তুলতে ব্যর্থ হন এবং ব্যাংকগুলোকে টিকিয়ে রাখতে বিশেষ সহায়তা প্রয়োজন হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম ধাপে ছয়টি ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা পর্যালোচনা করে। এর মধ্যে আইসিবি ইসলামিক বাদে বাকি পাঁচটি ব্যাংক— এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক—কে একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।







