বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
 

 

অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

দেশের বন্ধ ও অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানাগুলো বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে পুনরায় সচল করার প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ করার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সাথে পুরো প্রক্রিয়াটি যেন শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৪ জুলাই ২০২৬) বিকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (PMO) আয়োজিত ‘অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর প্রক্রিয়াগত অগ্রগতি’ সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন। বৈঠক শেষে তাঁর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

অপ্রয়োজনীয় সময়ক্ষেপণ না করার কড়া নির্দেশ

উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের শিল্প খাতের বিকাশ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন:

“বন্ধ হয়ে থাকা এসব রাষ্ট্রীয় সম্পদকে অলস ফেলে রাখা যাবে না। কীভাবে এগুলো দ্রুততম সময়ে লাভজনকভাবে পুনরায় চালু করা যায়, সেই পুরো প্রক্রিয়াটি কোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় সময়ক্ষেপণ এড়িয়ে দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। তবে দ্রুত করতে গিয়ে যেন স্বচ্ছতার ক্ষেত্রে কোনো আপস না করা হয়, সেদিকেও কঠোর নজর রাখতে হবে।”

বেসরকারি খাতের বিপুল আগ্রহ, চলছে সম্ভাব্যতা যাচাই

বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয় যে, সরকারের এই উদ্যোগের পর অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানাগুলোতে বিনিয়োগ করতে দেশি-বিদেশি অনেক নামী-দামি বেসরকারি কোম্পানি ইতিমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কোম্পানিগুলো এসব কারখানার অবকাঠামো ব্যবহার করে আধুনিক ও যুগোপযোগী যে ধরনের নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে, সরকারের বিশেষজ্ঞ দল ও টেকনিক্যাল কমিটি বর্তমানে সেগুলোর সম্ভাব্যতা (Feasibility Study) নিবিড়ভাবে যাচাই করছে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সরকারের নীতি-নির্ধারকেরা

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সভায় দেশের অর্থনৈতিক ও শিল্প খাতের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন:

  • বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

  • পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম।

  • প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

  • বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

  • প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।

  • সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সচিববৃন্দ এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন কর্পোরেশন ও প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবর্গ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top