বিদ্যমান বন্দি বিনিময় ও অপরাধী প্রত্যর্পণ চুক্তির আইনি বাধ্যবাধকতা মেনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত সরকার দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে বলে তীব্র আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “বর্তমান সরকার জোরালোভাবে চায় শেখ হাসিনা দেশে ফিরে স্বাধীন আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়ান এবং তাঁর আমলের সমস্ত অন্যায়ের সুনির্দিষ্ট বিচারের মুখোমুখি হোন।”
রোববার (২৪ মে ২০২৬) দুপুরে সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে ‘সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম’ (বিএসআরএফ) আয়োজিত এক বিশেষ সংলাপে অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা জানান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতকে বারবার চিঠি:
সংলাপে উপস্থিত সাংবাদিকরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ার সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই প্রত্যর্পণের বিষয়ে আমি অনেক আগেই সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেছি। আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক চ্যানেলের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে শেখ হাসিনাকে হস্তান্তর করার জন্য অনেক আগেই এবং বারবার চিঠি পাঠানো হয়েছে।”
আইনানুগ প্রক্রিয়ার ওপর জোর:
সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কার্যকর দ্বিপাক্ষিক অপরাধী প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা এখনো দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এবং চাই যে, সম্পূর্ণ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় এবং দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক চুক্তির সুনির্দিষ্ট ধারা বা বিধান অনুযায়ী ভারত সরকার তাঁকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করবে। আমরা কোনো প্রতিহিংসা নয়, বরং আইনি প্রক্রিয়ায় তাঁর বিচার নিশ্চিত করতে চাই।”
সংলাপে বিএসআরএফ-এর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও সচিবালয়ে কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।







