রাজধানীর বৃহত্তম পাইকারি বাজার কারওয়ান বাজারে প্রতিদিন প্রায় দুই থেকে তিন কোটি টাকা চাঁদাবাজি হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা-১২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) সাইফুল আলম খান মিলন। সোমবার (১৮ মে ২০২৬) রাজধানীতে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত এক প্রাক-বাজেট সংলাপে তিনি এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তোলেন।
মিলন অভিযোগ করেন, গত সরকারের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের আমলেও সরকারি দলের লোকেরাই এই চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছেন। তিনি সুনির্দিষ্ট উদাহরণ দিয়ে বলেন, শুধু কয়েকটি পাইকারি মুরগির দোকান থেকেই মাসে ৬০ লক্ষ টাকা চাঁদা তোলা হচ্ছে। এই বিশাল অংকের চাঁদাবাজির বোঝা সরাসরি সাধারণ ভোক্তাদের ওপর চাপছে, যা বাজারে মূল্যস্ফীতি বাড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ।
সংসদ সদস্যদের মধ্যে বিতর্ক:
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ১৩তম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবিবা এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান। তিনি জামায়াত এমপির এই অবস্থানকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ আখ্যা দিয়ে বলেন, “আমার এলাকায় কেউ চাঁদাবাজি করলে, সে যে দলেরই হোক, আমি তার বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করব এবং আইনের আশ্রয় নেব।”
এর জবাবে সাইফুল আলম খান মিলন দাবি করেন, “মামলাই নেওয়া হয় না, আইনের আশ্রয় কীভাবে নেওয়া হবে?” তিনি জানান, বিষয়টি তিনি ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নজরে এনেছেন এবং সমাধানের জন্য খুব শীঘ্রই সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন। জনস্বার্থ বিবেচনায় তিনি কারওয়ান বাজার এবং মহাখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সব ধরনের চাঁদাবাজি পুরোপুরি বন্ধের দাবি জানান।







