আগামীকাল (১০ মে) থেকে শুরু হতে যাওয়া ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে এক বিশেষ বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। শনিবার (৯ মে) দেওয়া এই বিবৃতিতে তিনি বলেন, মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং এবং মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে পুলিশকে আগের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর ও পেশাদার ভূমিকা পালন করতে হবে। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে নিরবচ্ছিন্ন রাখতে একটি ভয়মুক্ত সমাজ গঠনই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় জনমনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরে এসেছে। তিনি বলেন, জনগণ এখন গুম, অপহরণ এবং নিপীড়নমুক্ত একটি রাষ্ট্র দেখতে চায়, যেখানে জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা থাকবে না। এই প্রত্যাশিত পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশের ভূমিকা সর্বাধিক। তিনি মনে করেন, পুলিশ যদি জনগণের সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে, তবে তাদের দায়িত্ব পালনের পথ অনেক সহজ হয়ে যাবে।
তারেক রহমান আরও জানান, একটি সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কর্মসূচী বাস্তবায়ন করতে হলে ঘরে-বাইরে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। তিনি পুলিশের সাম্প্রতিক পেশাদারিত্বের প্রশংসা করে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশ প্রমাণ করেছে যে অনুকূল পরিবেশে তারা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সক্ষম। এ ছাড়াও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল অবদান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পুলিশের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার বিনিয়োগ অব্যাহত রাখবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।






