জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোর ওপর থেকে জ্বালানি তেলের সীমাবদ্ধতা বা রেশনিং ব্যবস্থা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয়েছে। দুই দিন আগেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে বলে রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।
জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর এক পয়েন্ট অব অর্ডারের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। সংসদ সদস্য তাঁর বক্তব্যে অভিযোগ করেন যে, জ্বালানি তেলের রেশনিংয়ের অজুহাতে পুলিশ রাতে টহল কমিয়ে দিয়েছে, যার ফলে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জনগণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। সম্প্রতি কুমিল্লার একজন কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যার ঘটনার প্রেক্ষাপটে তিনি পুলিশের ‘তেল সংকট’ ও ‘রেশনিং’ এর বিষয়টি সংসদে উত্থাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য:
বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্লোর নিয়ে বলেন, “সংসদ সদস্য যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, বিষয়টি আমরা এরইমধ্যে অ্যাড্রেস করেছি। পুলিশসহ ইমার্জেন্সি বাহিনী যারা আছে—পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স বা ফায়ার ব্রিগেড—তাদের ওপর থেকে যে এমবার্গো (নিষেধাজ্ঞা) ছিল, তা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, দুই দিন আগেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে এখন থেকে পুলিশের নিয়মিত টহল বা জরুরি সেবায় জ্বালানিজনিত কোনো সমস্যা আর থাকবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
নিরাপত্তা জোরদারের প্রতিশ্রুতি:
প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই যেন রাষ্ট্রীয় জরুরি সেবা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়, সে লক্ষ্যে সরকার সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।







