মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চলমান উত্তেজনার মাঝে নতুন এক কূটনৈতিক মোড় তৈরি হয়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরানকে একটি ‘সমন্বিত প্রস্তাব’ উপস্থাপনের সুযোগ দিতে এবং আলোচনার পরিবেশ বজায় রাখতে তিনি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্ট-এর বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।
মঙ্গলবার নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে। পাকিস্তানের কূটনৈতিক সূত্রগুলোও ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার এই শান্তি আলোচনা নিয়ে জোর তৎপরতা চলার খবর নিশ্চিত করেছে। ট্রাম্পের মতে, তেহরানকে তাদের প্রস্তাবনাগুলো গুছিয়ে নেওয়ার পর্যাপ্ত সময় দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা সরাসরি আলোচনার পথ সুগম করবে।
নতুন চুক্তির সম্ভাবনা:
ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই নমনীয় অবস্থান এবং সময়সীমা বৃদ্ধি বড় কোনো চুক্তির সম্ভাবনাকে উজ্জ্বল করেছে। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে ইরান এই সুযোগটি কীভাবে গ্রহণ করে এবং আগামী তিন দিনের মধ্যে কোনো কার্যকর প্রস্তাব নিয়ে আসে কি না, তার ওপরই নির্ভর করছে পরবর্তী কূটনৈতিক সাফল্য।
ইরানের প্রতিক্রিয়া:
ইরান সরকার এখন পর্যন্ত ট্রাম্পের এই বার্তার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে বিশ্বব্যাপী কূটনৈতিক মহলে এই ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তেহরান শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে বসে কি না, সেটাই এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রধান আলোচনার বিষয়।







