ট্রাম্পের কূটনৈতিক নমনীয়তা: তেহরানকে সময় দিয়ে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চলমান উত্তেজনার মাঝে নতুন এক কূটনৈতিক মোড় তৈরি হয়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরানকে একটি ‘সমন্বিত […]
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চলমান উত্তেজনার মাঝে নতুন এক কূটনৈতিক মোড় তৈরি হয়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরানকে একটি ‘সমন্বিত […]
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করে ইরান ঘোষণা করেছে যে, তারা যেকোনো বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের জন্য কেবল প্রস্তুতই
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে চরম নাটকীয়তা ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজই পাকিস্তানের রাজধানী
যুক্তরাষ্ট্রের ‘অতিরিক্ত আবদার’ ও ‘অবাস্তব প্রত্যাশা’র অভিযোগ তুলে শান্তি আলোচনার দ্বিতীয় পর্বে অংশগ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইরান। তেহরানের এই কঠোর
যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ও পাল্টাপাল্টি হুমকির জেরে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন করে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ইরান
লেবাননে ঘোষিত ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রভাবে বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের স্বস্তির হাওয়া বইছে। এই সুযোগে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত নিরসনে একটি বড় কূটনৈতিক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে,
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন দফার আলোচনার প্রস্তুতির মধ্যেই লোহিত সাগর বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে তেহরান। মার্কিন নৌ-অবরোধ অব্যাহত
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক তৎপরতা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। একদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনার সম্ভাব্য সময় ঘোষণা করেছেন
ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের সংলাপ কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে না পারলেও, দুই পক্ষই পুনরায় বৈঠকে বসতে সম্মত হয়েছে।
ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ছায়া যুদ্ধ এখন সরাসরি সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। ইরানের সম্ভাব্য হামলার হুমকি মোকাবিলায় এবং যেকোনো পরিস্থিতির
বিশ্বরাজনীতির এক অগ্নিপরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পাকিস্তান। ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি রক্ষা এবং ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতা করে বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার এক “অসম্ভব” মিশন নিয়ে কাজ করছে দেশটি। শনিবারের এই ঐতিহাসিক সংলাপ পাকিস্তানের জন্য যেমন বড় সুযোগ, তেমনি এক বিশাল কূটনৈতিক ঝুঁকি।
ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির ও প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নিবিড় তৎপরতায় পাকিস্তান
ইসলামাবাদে যুদ্ধের দামামা আর কূটনৈতিক কৌশলের এক জটিল সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনাকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান সমালোচনার মুখে ইসরায়েল এবার লেবানন-এর সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসার ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার মন্ত্রিসভাকে দ্রুত