মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে সংঘাত নয়, বরং ইনসাফ এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (১ মে ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন আয়োজিত বিশাল শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শ্রমিক সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমানের ভাষণের মূল দিকসমূহ:
-
মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক: জামায়াতে ইসলামী মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে ইনসাফপূর্ণ এবং শান্তিপূর্ণ সম্পর্কে বিশ্বাসী। ডা. শফিকুর রহমান এমন এক ব্যবস্থার কথা বলেন যেখানে শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার পারিশ্রমিক নিশ্চিত হবে।
-
প্রবাসীদের অধিকার ও দূতাবাসের ভূমিকা: প্রবাসীরা পাসপোর্ট নবায়নসহ বিভিন্ন কাজে দালালদের হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, যদি দূতাবাস জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতে না পারে, তবে সেই অ্যাম্বাসি থাকার প্রয়োজনীয়তা কী? দূতাবাসের কাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী লালন-পালন নয়, বরং জনগণের সেবা নিশ্চিত করা।
-
বামপন্থী রাজনীতির সমালোচনা: জামায়াত আমির বামপন্থী নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, তারা শ্রমিকদের আবেগ ব্যবহার করে আন্দোলন গড়ে তুললেও রাতের আঁধারে নিজেদের সুবিধা বুঝে নিয়ে আন্দোলনকে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করেন। তিনি ‘শ্রেণি-শত্রু খতমের’ রাজনীতির পরিবর্তে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও মর্যাদার রাজনীতিতে বিশ্বাসের কথা জানান।
-
সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা: ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট করেন যে, বিরোধী দল সংসদে গালগল্প করতে যায়নি, বরং দুঃখী মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করতে গিয়েছে। শ্রমিকদের ন্যায্যতা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত সংসদের ভেতরে ও বাইরে লড়াই অব্যাহত থাকবে বলে তিনি ঘোষণা দেন।







