স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান যে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দেশের শতভাগ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে. এ পর্যন্ত মোট ৬১ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে এবং অনেক এলাকায় ইতিমধ্যে শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে. তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রাথমিক পর্যায়ে যে ৩০টি উপজেলায় টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছিল, সেখানে বর্তমানে কোনো নতুন রোগী নেই.
টিকা কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত কাজ শুরু করা হয়েছে. ৫ মে দেশজুড়ে কর্মসূচি শুরুর কথা থাকলেও তা ১৪ দিন এগিয়ে ২০ এপ্রিল থেকেই কার্যকর করা হয়েছে. তিনি আক্ষেপ করে জানান যে, বিগত ছয় বছর শিশুদের হামের কোনো টিকা দেওয়া হয়নি. এই জরুরি মুহূর্তে ইউনিসেফ, গ্যাভি, বিশ্বব্যাংক এবং আমেরিকার যৌথ সহায়তার প্রশংসা করে তিনি বলেন, তাদের সাহায্য না থাকলে দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারত.
ডেঙ্গু মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান যে, সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে. ১ মে (শুক্রবার) থেকে ইউনিভার্সিটি প্লে-গ্রাউন্ডে রোগীদের জন্য বিশেষ তাঁবু স্থাপনের কাজ শুরু হবে. মন্ত্রী বলেন, সেবা দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত থাকলেও ডেঙ্গু প্রতিরোধ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ. এ লক্ষ্যে মশক নিধনের কাজগুলো জোরালোভাবে সম্পন্ন করতে সিটি করপোরেশনকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।






