সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ইতিহাসের সংঘাত পরিহার করে দেশ গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, “ইতিহাসের কোপাকুপি বাদ দিয়ে আসুন ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ি।” এছাড়া তিনি অতীতে তাঁদের ওপর হওয়া সকল অন্যায়ের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। বিশেষভাবে তিনি শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবি উত্থাপন করেন।
শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ও দায়িত্বের অনুভূতি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যের শুরুতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের আন্দোলনে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ৭১ সালে যারা শহীদ হয়েছেন এবং সেই সঙ্গে স্মরণ করছি যারা ১৩ সালের ৫ মে-তে শহীদ হয়েছেন তাঁদেরকে।”
প্রধানমন্ত্রী তাঁর পদের গুরুদায়িত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার দেখলে মনে হয় এখানে বসতে আরাম, কিন্তু বসলে তপ্ত আগুনের মতো তাপ লাগে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তাঁর সরকার জনগণের নির্বাচিত এবং জবাবদিহিমূলক সরকার হিসেবে জনগণের দেখভাল করাকেই প্রধান দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করে।







