যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কল্যাণমূলক সুবিধা (Public Benefits) ব্যবহারের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা (Immigrant Visa) প্রদান সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (২৩ মার্চ) ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এক জরুরি বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
মার্কিন দূতাবাসের বার্তায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের কারণে সে দেশের অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানোই এই স্থগিতাদেশের মূল লক্ষ্য। ওয়াশিংটন মনে করছে, বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে অবৈধভাবে বা অন্যায্যভাবে সরকারি কল্যাণ সুবিধা গ্রহণের প্রবণতা বেড়েছে, যা মার্কিন নীতিমালার পরিপন্থী।
স্থগিতাদেশের কারণ ও উদ্দেশ্য:
যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট জানিয়েছে, যেসব দেশের নাগরিকদের মধ্যে সরকারি সহায়তা বা ওয়েলফেয়ার বেনিফিট ব্যবহারের হার বেশি, সেই তালিকায় বাংলাদেশের নাম আসায় এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই স্থগিতাদেশ চলাকালীন মার্কিন প্রশাসন তাদের বর্তমান যাচাই-বাছাই (Vetting and Screening) নীতিমালা ও প্রক্রিয়াগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে পর্যালোচনা করবে। মূলত আমেরিকান নাগরিকদের স্বার্থ ও দেশের অর্থনীতিকে অগ্রাধিকার দিতেই এই সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।
কাদের ওপর প্রভাব পড়বে:
এই স্থগিতাদেশ শুধুমাত্র অভিবাসী ভিসা (Immigrant Visa) বা যারা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের (Green Card) জন্য আবেদন করেন, তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে দূতাবাস আশ্বস্ত করেছে যে, অনভিবাসী ভিসা (Non-Immigrant Visa) যেমন—পর্যটক (Tourist), শিক্ষার্থী (Student) বা ব্যবসায়িক কাজে ভ্রমণের ভিসার ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হবে না। অর্থাৎ সাধারণ ভ্রমণকারী বা শিক্ষার্থীরা আগের নিয়মেই আবেদন করতে পারবেন।







