জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সাহসী যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের প্রতি সম্মান জানাতে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের আবাসিক হোটেলগুলোতে ৩৬ শতাংশ এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের টিকিটে ৫০ শতাংশ বিশেষ মূল্যছাড়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। একই সাথে আহত যোদ্ধাদের যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগের কথাও জানানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন আয়োজিত জুলাই শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এসব তথ্য জানান।
‘শহীদের রক্তে অর্জিত মানবিক বাংলাদেশের দায়িত্ব রাষ্ট্র ও সরকারের’
অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন:
-
ঐতিহাসিক অবদান: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহত যোদ্ধারা আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায়ের অংশীদার। তাঁদের অসামান্য সাহসিকতার কারণেই আজ দেশ ফ্যাসিস্ট দুঃশাসন থেকে মুক্ত হতে পেরেছে।
-
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব: সন্তানহারা পিতা-মাতার বেদনার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, শহীদ ও আহতদের স্বপ্ন ধারণ করে একটি মানবিক, বৈষম্যহীন ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলাই এই সরকারের মূল অঙ্গীকার। শহীদ পরিবারের পাশে থাকা কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।
-
পর্যটন খতের রূপরেখা: জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে লালন করে দেশের বিমান ও পর্যটন খাতকে আরও টেকসই, নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তিনি।
প্রাইজবন্ড ও সম্মাননা প্রদান
আগারগাঁওয়ের এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের পক্ষ থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ৫টি শহীদ পরিবারের প্রতিনিধি এবং ৫ জন আহত জুলাই যোদ্ধার হাতে বিশেষ প্রাইজবন্ড ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন মন্ত্রীসহ উপস্থিত অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
-
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত
-
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি
-
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার
-
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান







