সাত জেলায় বজ্রাঘাতে ১৪ জনের মৃত্যু; গাইবান্ধায় সর্বোচ্চ প্রাণহানি - Peoples News
 

 

সাত জেলায় বজ্রাঘাতে ১৪ জনের মৃত্যু; গাইবান্ধায় সর্বোচ্চ প্রাণহানি

সারাদেশে কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে প্রবল বজ্রপাতে সাত জেলায় অন্তত ১৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুর থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে গাইবান্ধায় সর্বোচ্চ ৫ জন এবং ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ ও জামালপুরে ২ জন করে প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া পঞ্চগড়, বগুড়া ও নাটোরে একজন করে নিহতের খবর পাওয়া গেছে।

রোববার বিকেলে উত্তর ও উত্তরাঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড়ের সময় মাঠে কাজ করতে গিয়ে কিংবা বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে আশ্রয় নিতে গিয়েই মূলত এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

জেলাভিত্তিক পরিস্থিতির বিস্তারিত:

  • গাইবান্ধা: সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলায় বজ্রাঘাতে ৫ জন নিহত হয়েছেন। সুন্দরগঞ্জে বৃষ্টির সময় টিনের ঘরে আশ্রয় নিতে গিয়ে চাচা-ভাতিজাসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়। সাঘাটায় ছাগল আনতে গিয়ে এবং ফুলছড়িতে ভুট্টা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে আরও দুই ব্যক্তি প্রাণ হারান।

  • সিরাজগঞ্জ: তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় বজ্রাঘাতে আব্দুল হামিদ (৫০) ও হাসান শেখ (২৫) নামে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা দুজনেই মাঠে কৃষিকাজ করা অবস্থায় বজ্রপাতের শিকার হন।

  • ঠাকুরগাঁও: পীরগঞ্জ উপজেলায় ঘাস কেটে বাড়ি ফেরার পথে লাবণী আক্তার (৩৫) এবং জমিতে ফসল দেখতে গিয়ে ইলিয়াাস আলী (৩৭) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

  • জামালপুর: সদর ও মেলান্দহ উপজেলায় পৃথক বজ্রাঘাতে মর্জিনা বেগম (২২) ও হাসমত আলী (৪৫) নিহত হয়েছেন। মর্জিনা নিজ বাড়ির রান্নাঘরে কাজ করার সময় বজ্রপাতের শিকার হন। এছাড়া এ জেলায় ৪ জন আহত এবং ৫টি গবাদি পশুর মৃত্যু হয়েছে।

  • পঞ্চগড়: আটোয়ারী উপজেলায় মাত্র আট দিন আগে বিয়ে করা সোহরাওয়ার্দী (২২) নামে এক চা-শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন। পাতা তুলে বাড়ি ফেরার পথে তিনি বজ্রাঘাতের শিকার হন।

  • বগুড়া ও নাটোর: বগুড়ার গাবতলীতে ধান রক্ষায় পলিথিন দিতে গিয়ে সুমন মিয়া (২৬) এবং নাটোরের সিংড়ায় ধানকাটা শ্রমিক সম্রাট হোসেন (২৬) বজ্রাঘাতে মারা গেছেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top