বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, টানা ঊর্ধ্বগতির পর দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা স্বস্তির আভাস পাওয়া গেছে। মূলত খাদ্যপণ্যের দাম ফেব্রুয়ারি মাসের তুলনায় মার্চে কিছুটা হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক মূল্যস্ফীতির গ্রাফ নিচের দিকে নেমেছে।
নিত্যপণ্যের বাজারে উচ্চমূল্যের চাপে থাকা সাধারণ মানুষের জন্য ইতিবাচক খবর দিয়েছে বিবিএস। ফেব্রুয়ারিতে যেখানে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে উঠেছিল, মার্চ মাসে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২১ শতাংশে।
খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত খাতের চিত্র:
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মার্চ মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৮ দশমিক ২৪ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগের মাস ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। তবে খাদ্যপণ্যে স্বস্তি ফিরলেও খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়েছে। ফেব্রুয়ারিতে এই হার ৯ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ থাকলেও মার্চে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশে।
গ্রাম বনাম শহর:
মূল্যস্ফীতির এই হ্রাস গ্রামাঞ্চল ও শহরাঞ্চল—উভয় ক্ষেত্রেই লক্ষ্য করা গেছে। মার্চ মাসে গ্রামাঞ্চলে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। অন্যদিকে শহরাঞ্চলে এই হার কিছুটা কম, যা দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমার এই প্রবণতা ধরে রাখা গেলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে আসবে। তবে খাদ্যবহির্ভূত খাতের সামান্য বৃদ্ধি মোকাবিলায় সরকারকে বাজার তদারকি আরও জোরদার করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।







