সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের ঘটনায় জনমনে যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে, তা অমূলক বলে মন্তব্য করেছেন দেশের শীর্ষ ভূতত্ত্ববিদ ও দুর্যোগ বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, বাংলাদেশ মাঝারি মাত্রার কম্পনপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত। বড় ধরনের ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পের সম্ভাবনা কম। তবে সতর্কতা ও প্রস্তুতি বাড়ানো জরুরি।
সোমবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠকে এই মতামত দেন বিশেষজ্ঞরা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বুয়েট, ঢাবি, চুয়েট, এমআইএসটি’র অধ্যাপকসহ আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমরা হাত গুটিয়ে বসে থাকব না, আবার অবৈজ্ঞানিক পদক্ষেপও নেব না। বিশেষজ্ঞদের লিখিত সুপারিশ পাওয়া মাত্রই টাস্কফোর্স গঠন করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।” তিনি প্রবাসী বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের সঙ্গেও সমন্বয়ের নির্দেশ দেন।
বিশেষজ্ঞরা জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘৪৮ ঘণ্টা বা ১০ দিনের মধ্যে বড় কম্পন’—এ ধরনের গুজব বিজ্ঞানসম্মত নয়। কোনো বিজ্ঞানী নির্দিষ্ট দিন-তারিখে ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দিতে পারেন না। তবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে প্রস্তুতি নেওয়া যায়।
তারা পরামর্শ দেন:
– ভবনের স্ট্রাকচারাল মূল্যায়ন ত্বরান্বিত করা
– হাসপাতাল, স্কুল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় জরুরি প্রস্তুতি
– স্কুল-কলেজে নিয়মিত ভূমিকম্প মহড়া
– খোলা মাঠ চিহ্নিতকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি
গণপূর্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, ইতোমধ্বংস ফাটল ধরা ভবনের ছবি সংগ্রহ করে মূল্যায়ন শুরু হয়েছে।







