জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত দুই প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা এবং মাহমুদুল হক রুবেল।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিজয়ী ঘোষণা করেন।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে মোট ১৫০টি কেন্দ্রের ফলাফলে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৫৭ হাজার ১৫৯ ভোট।
এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৯ জন। এর মধ্যে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ৬৯৬টি। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম জানান, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট সম্পন্ন হয়েছে এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিলে সেখানে এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যদিকে, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের ১২৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াত প্রার্থী আলহাজ মাসুদুর রহমান মাসুদ পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৯ হাজার ৮০৬ জন এবং ভোট পড়েছে প্রায় ৫০ দশমিক ৫২ শতাংশ। পূর্বনির্ধারিত তারিখে নির্বাচন স্থগিত থাকলেও পরে পুনরায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
শেরপুরের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, সামগ্রিকভাবে সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। তবে কিছু কেন্দ্রে জাল ভোটের অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।







