স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার (১৫ মার্চ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
নবনিযুক্ত প্রশাসকরা নিজ নিজ জেলার উন্নয়ন সমন্বয় এবং স্থানীয় সরকার কাঠামোর তদারকি করবেন। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে ঝুলে থাকা উন্নয়ন প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসকদের তালিকা:
| বিভাগ | জেলা ও মনোনীত প্রশাসক |
| রংপুর | পঞ্চগড়: তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুর: মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুর: সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম: সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, গাইবান্ধা: ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক। |
| রাজশাহী | জয়পুরহাট: মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়া: আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জ: হারুনুর রশিদ, নওগাঁ: আবু বক্কর সিদ্দিক, রাজশাহী: এরশাদ আলী, নাটোর: রহিম নেওয়াজ। |
| খুলনা | মেহেরপুর: জাভেদ মাসুদ, কুষ্টিয়া: সোহরাব উদ্দিন, ঝিনাইদহ: আবুল মজিদ, যশোর: দেলোয়ার হোসেন খান খোকন, মাগুরা: আলী আহমেদ, বাগেরহাট: জাকির হোসেন, খুলনা: এস এম মনিরুল হাসান। |
| বরিশাল | পটুয়াখালী: স্নেহাংশু সরকার, ভোলা: গোলাম নবী আলমগীর, বরিশাল: আকন কুদ্দুসর রহমান, ঝালকাঠি: শাহাদাৎ হোসেন, পিরোজপুর: আলমগীর হোসেন। |
| ঢাকা | টাঙ্গাইল: এস এম ওবায়দুল হক, মুন্সীগঞ্জ: এ.কে.এম. ইরাদত, নারায়ণগঞ্জ: মামুন মাহমুদ, রাজবাড়ী: আব্দুস সালাম মিয়া, গোপালগঞ্জ: শরিফ রফিক উজ্জামান, মাদারীপুর: মাশুকুর রহমান, শরীয়তপুর: নাসির উদ্দিন। |
| ময়মনসিংহ | শেরপুর: এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ, ময়মনসিংহ: সৈয়দ এমরান সালেহ, নেত্রকোনা: মোঃ নূরুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ: খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। |
| সিলেট | সুনামগঞ্জ: মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেট: আবুল কাহের চৌধুরী, মৌলভীবাজার: মিজানুর রহমান। |
| চট্টগ্রাম | ব্রাহ্মণবাড়িয়া: সিরাজুল ইসলাম, কুমিল্লা: মোশতাক মিয়া, নোয়াখালী: হারুনুর রশিদ আজাদ, লক্ষ্মীপুর: সাহাব উদ্দিন, কক্সবাজার: এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী। |
বিশ্লেষণাত্মক পর্যবেক্ষণ
এই নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন জেলার প্রবীণ রাজনীতিবিদ, পেশাজীবী ও দক্ষ ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা-৮ আসনের নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে এবং দেশব্যাপী প্রশাসনিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আগে থেকেই মেধা ও যোগ্যতাকে প্রাধান্য দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, এই নিয়োগে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।







