তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় আঙ্কারায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকার গঠনের পর দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় সাক্ষাৎ। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশে তুরস্কের বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং তুরস্কে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বাংলাদেশের নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানান এবং দুই দেশের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন।
বৈঠক শেষে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন। সেখানে তাঁরা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু, বিশেষ করে গাজায় চলমান সংকট নিরসনে এবং শান্তি প্রচেষ্টায় একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এদিন তুরস্কের ডিপ্লোম্যাসি একাডেমি এবং বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমির মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়। বৈঠক শেষে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের সম্মানে এক ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন করেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
কূটনৈতিক তাৎপর্য
এই সফরের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরেশীয় অঞ্চলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে তুরস্কের মতো শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তির সাথে এই ঘনিষ্ঠতা বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা এবং বাণিজ্যিক খাতে দীর্ঘমেয়াদী সুবিধা বয়ে আনতে পারে।







