মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) জানিয়েছে, রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডের প্রধান লন্ড্রি স্পেস থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে সামরিক বাহিনী একে ‘যুদ্ধজনিত আগুন নয়’ বলে দাবি করেছে। আগুনের ঘটনায় দুই নৌসেনা আহত হয়েছেন, তবে তাঁদের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল।
মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, এই অগ্নিকাণ্ডে জাহাজের প্রপালশন প্ল্যান্ট বা যান্ত্রিক ব্যবস্থার কোনো ক্ষতি হয়নি এবং রণতরিটি বর্তমানে পুরোপুরি কার্যকর রয়েছে। কৌশলগত কারণে রণতরিটির বর্তমান অবস্থান প্রকাশ না করলেও এটি যে ইরান যুদ্ধের অংশ হিসেবে এই অঞ্চলে মোতায়েন আছে, তা নিশ্চিত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড মার্কিন নৌবাহিনীর বহরে থাকা ১১টি রণতরির মধ্যে সবথেকে আধুনিক ও বৃহদাকার।
সমুদ্রসীমায় সংঘাতের বিস্তার ও তেলের ট্যাংকারে হামলা
বুধবার ইরাকের জলসীমায় বিস্ফোরকবোঝাই ইরানি বোটের আত্মঘাতী হামলায় দুটি তেলের ট্যাংকারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে একজন ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন এবং ‘সেফ সি বিষ্ণু’ ও ‘জেফিরোস’ নামে দুটি জাহাজ সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এ নিয়ে অন্তত ১৬টি জাহাজ আক্রান্ত হলো।
হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা ও তেলের বাজারে প্রভাব
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহনের রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে নৌযান চলাচল বর্তমানে স্থবির হয়ে পড়েছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (IRGC) হুমকি দিয়েছে যে, পশ্চিমা মিত্রদের জন্য তারা তেল রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেবে। পাল্টা হুঁশিয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান তেল রপ্তানি বন্ধের চেষ্টা করলে তাদের ওপর আরও ভয়াবহ আঘাত হানা হবে।







