মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের লাফ লক্ষ্য করা গেছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) লেনদেনের শুরুতে তেলের বাজার কিছুটা স্থিতিশীল মনে হলেও সময় গড়ানোর সাথে সাথে তা গত এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বুধবারের সাময়িক স্বস্তি ছিল কেবল ‘ঝড়ের আগের শান্ত অবস্থা’।
তেলের বর্তমান বাজার দর (৫ মার্চ ২০২৬)
| তেলের ধরন | বর্তমান মূল্য (ব্যারেল প্রতি) | বৃদ্ধির হার |
| ব্রেন্ট ক্রুড (Brent Crude) | $৮২.৮৭ | ২.৮% বৃদ্ধি |
| মার্কিন ক্রুড (WTI) | $৭৭.২৫ | ৩.৫% ($২.৫৯) বৃদ্ধি |
বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি:
এসপিআই (SPI) অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের বিশ্লেষক স্টিফেন ইন্নেস সতর্ক করে বলেছেন, বুধবারের সাময়িক মূল্য সংশোধন কোনোভাবেই বাজার পরিস্থিতির উন্নতির লক্ষণ ছিল না। বরং মধ্যপ্রাচ্যের ‘সংকটের আগুন’ এখনও দাউদাউ করে জ্বলছে। বিশেষ করে তেহরানের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইসরাইলি বাহিনীর নতুন দফার হামলা এবং হরমুজ প্রণালীতে চলাচলের ওপর হুমকির জেরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
ভবিষ্যৎ পূর্বাভাস ও প্রভাব
-
খুচরা পর্যায়ে প্রভাব: আন্তর্জাতিক বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ফলে ইতিমধ্যে খুচরা পর্যায়ে জ্বালানির দাম প্রায় ১০% বৃদ্ধি পেয়েছে।
-
মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি: অক্সফোর্ড ইকোনমিক্সের মতে, ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ১০ ডলার বৃদ্ধি পেলে বৈশ্বিক জিডিপি থেকে ০.১% কমে যেতে পারে এবং মূল্যস্ফীতি ৩ শতাংশের উপরেই অবস্থান করবে।
-
সরবরাহ ঘাটতি: পারস্য উপসাগরে একটি মার্কিন ট্যাঙ্কারে হামলার খবর আসায় সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।







