ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা আরব সাগরে মোতায়েন করা মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন-এ চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সফল হামলা চালিয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এই খবর প্রকাশ করেছে।
আইআরজিসি-র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদের এই হামলা মূলত গত শনিবার তেহরানে মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাহাদাতের প্রতিশোধ হিসেবে চালানো ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪’-এর অংশ। বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, “আগ্রাসীদের জন্য আকাশ ও সমুদ্র হবে জলন্ত কবরস্থান।”
তবে যুক্তরাষ্ট্র এই দাবি কঠোরভাবে নাকচ করে দিয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক সোশ্যাল মিডিয়া বার্তায় জানায়, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো রণতরীর ধারের কাছেও আসতে পারেনি। তারা ইরানের এই দাবিকে ‘মিথ্যা’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছে, রণতরীটি সম্পূর্ণ অক্ষত আছে এবং সেখান থেকে নিয়মিত সামরিক কার্যক্রম ও বিমান উড্ডয়ন অব্যাহত রয়েছে।
চলমান পরিস্থিতির ৩টি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট
-
আঞ্চলিক অস্থিরতা: ইরানের এই হামলার দাবির পর উপসাগরীয় দেশগুলোতে (দুবাই, দোহা, মানামা) রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে এবং আকাশসীমা বন্ধ রাখা হয়েছে।
-
নেতৃত্ব সংকট: আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর ইরানে তিন সদস্যের একটি অস্থায়ী নেতৃত্ব কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে।
-
মার্কিন পাল্টা ব্যবস্থা: সেন্টকম জানিয়েছে, তারা ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-র অধীনে ইরানি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আরও জোরালো আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে।







