আফগানিস্তান সীমান্তে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে কঠোর অবস্থানের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাওয়ালপিন্ডিতে সেনাবাহিনীর জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স (GHQ) পরিদর্শনে গিয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, পাকিস্তানের ভূখণ্ডে যেকোনো ধরনের আগ্রাসন বা অপতৎপরতার জবাবে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে।
সেনা সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রীকে আফগানিস্তান সীমান্ত পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক সামরিক অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফিং করেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, শেহবাজ শরীফ আফগান তালেবান প্রশাসন এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত টিটিপি (যাকে পাকিস্তান সরকার ‘ফিতনা আল-খারিজি’ হিসেবে অভিহিত করে)-র কর্মকাণ্ডকে পাকিস্তানের নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আফগান তালেবান শাসন কিংবা টিটিপি—কারও পক্ষ থেকেই কোনো ধরনের আগ্রাসন গ্রহণযোগ্য নয়। ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনিরের নেতৃত্বে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী মাতৃভূমি রক্ষায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত। পাকিস্তান জানে কীভাবে নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হয়।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সীমান্তবর্তী এলাকায় তালেবান আক্রমণ সফলভাবে প্রতিহত করায় সেনাবাহিনী প্রশংসার দাবিদার এবং সমগ্র জাতি সশস্ত্র বাহিনীর পাশে রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিশেষ গুরুত্ব
-
কূটনৈতিক হুঁশিয়ারি: সরাসরি আফগান তালেবান প্রশাসনকে নাম ধরে সতর্ক করার মাধ্যমে ইসলামাবাদ তাদের কঠোর অবস্থান জানান দিয়েছে।
-
মনোবল বৃদ্ধি: সীমান্তে দায়িত্বরত সেনাদের সাহসিকতার প্রশংসা করে বাহিনীর মনোবল চাঙ্গা করার চেষ্টা।
-
টিটিপি মোকাবিলা: টিটিপি-কে ‘ফিতনা আল-খারিজি’ হিসেবে উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অভিযানের ইঙ্গিত।







