বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন গতির সঞ্চার হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর আগামী ৩ মার্চ দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকা আসছেন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার গঠনের পর এটিই হবে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তার প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বৈঠকে পল কাপুরের আসন্ন সফরের আলোচ্যসূচি চূড়ান্ত করার পাশাপাশি দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা এবং উন্নয়ন অংশীদারত্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো পর্যালোচনা করা হয়। এছাড়া রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে ওয়াশিংটনের আরও জোরালো রাজনৈতিক সমর্থন কামনা করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গেও পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এই সফরের বিশেষ তাৎপর্য
-
কূটনৈতিক স্বীকৃতি ও স্থায়িত্ব: নতুন সরকারের অধীনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমর্থন এবং ওয়াশিংটনের সাথে কাজ করার আগ্রহের প্রতিফলন।
-
নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা: ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান বিবেচনায় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার নতুন ফ্রেমওয়ার্ক আলোচনা।
-
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত পাঠাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জোরালো রাজনৈতিক মধ্যস্থতার দাবি।







