রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের পর তৃতীয় দিনের মতো সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে অফিস করার সময় তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সময়ানুবর্তিতার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৫ মিনিটে তিনি সচিবালয়ে উপস্থিত হয়ে সবাইকে চমকে দেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে জানান, প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত সময়ের শুরুতেই অফিসে এসে পৌঁছান। সচিবালয়ে প্রবেশ করেই তিনি খোঁজ নেন কোন কোন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপদেষ্টা নির্দিষ্ট সময়ে দপ্তরে উপস্থিত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীকে এত ভোরে অফিসে দেখে অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী অভিভূত হন, যা প্রশাসনের ভেতরে এক ধরনের ইতিবাচক চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী মৌখিকভাবে নির্দেশনা দেন যে, জনসেবা নিশ্চিত করতে হলে প্রতিটি স্তরের কর্মকর্তাদের অবশ্যই সঠিক সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে। সময়ের অপচয় রোধ এবং কাজের গতি বাড়াতে তিনি এই কঠোর বার্তা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর এই অবস্থানকে সচিবালয়ের ভাবমূর্তি পুনর্গঠন এবং প্রশাসনিক সংস্কারের একটি প্রাথমিক ধাপ হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার প্রধান তিনটি দিক
-
ব্যক্তিগত উদাহরণ: নিজে সকাল ৯টার মধ্যে উপস্থিত হয়ে প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায় থেকে তৃণমূল পর্যন্ত একটি শক্তিশালী বার্তা প্রদান।
-
জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ: মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের উপস্থিতি যাচাই করার মাধ্যমে দাপ্তরিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
-
জনসেবায় গতি: নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু করার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানো এবং ফাইলের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা।







