মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো কেঁপে উঠল বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৩৬ মিনিটে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিশাল এক অঞ্চলে এই শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় ভূ-কম্পনের তীব্রতা ছিল সবচেয়ে বেশি।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্প বিজ্ঞানকেন্দ্র (EMSC)-এর তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে এবং রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৯।
ভূমিকম্পের সময় রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রামের বহুতল ভবনের বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই প্রাণভয়ে ঘর ছেড়ে খোলা রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। যদিও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে বারবার এমন কম্পনে জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে।
ভূমিকম্পের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
| তথ্য | বিবরণ |
| সময় | রাত ৯টা ৩৬ মিনিট, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। |
| মাত্রা | ৫.৯ (রিখটার স্কেল)। |
| উৎপত্তিস্থল | মিয়ানমার। |
| অধিক কম্পিত এলাকা | চট্টগ্রাম, টেকনাফ, কক্সবাজার ও ঢাকা। |
| পূর্ববর্তী কম্পন | ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে (মাত্রা ৪.১)। |
উল্লেখ্য যে, এর আগে একই দিনে ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে ৪.১ মাত্রার একটি মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছিল। একদিনের ব্যবধানে দুইবার ভূ-পৃষ্ঠ কেঁপে ওঠায় ভূতাত্ত্বিকরা এই অঞ্চলকে ভূমিকম্পের বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে দেখছেন। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।







