রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা শেষে এক আবেগঘন ও নজিরবিহীন দৃশ্যের অবতারণা হয়। দেশের প্রখ্যাত তিনজন ইসলামি ব্যক্তিত্ব—আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ, জনপ্রিয় বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক সরাসরি প্রয়াত এই নেত্রীর কফিন বহন করেন। স্বজনদের পাশাপাশি তাঁদের এই কফিন কাঁধে তুলে নেওয়ার বিষয়টি উপস্থিত লাখো মানুষের মাঝে এক গভীর শ্রদ্ধার আবহ তৈরি করে। প্রথাগত রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের এমন অংশগ্রহণ বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃত্বের এক বিশেষ সম্মান প্রদর্শন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জানাজা ও শেষ বিদায়ের এই আনুষ্ঠানিকতায় রাজনৈতিক সংহতির এক বিশাল চিত্রও ফুটে ওঠে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে দলটির একটি উচ্চপর্যায়ের বিশাল প্রতিনিধি দল এই জানাজায় শরিক হন। শোকাতুর এই মিছিলে জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আনম শামসুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম ও মাওলানা আবদুল হালিমসহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শোকের এই আবহে ধর্মপ্রাণ আলেম সমাজ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের এমন সরব উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে খ্যাত খালেদা জিয়ার বিদায় বেলায় গোটা দেশ আজ এক কাতারে এসে দাঁড়িয়েছে।







