ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা আজ সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা গুঞ্জন থাকলেও নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ আজ বিকেলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, এই সময় আর কোনোভাবেই বাড়ানো হচ্ছে না। সারা দেশের জেলা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়গুলো থেকে মনোনয়নপত্র জমার চূড়ান্ত হিসাব সংকলন করে তা নির্বাচন কমিশনে পৌঁছাতে আজ রাত ১০টা বেজে যেতে পারে বলে সচিব জানিয়েছেন। এর মাধ্যমেই নির্ধারিত হলো নির্বাচনের প্রাথমিক প্রতিযোগী তালিকা।
ঘোষিত তফশিলের পরবর্তী ধাপ অনুযায়ী, জমা পড়া মনোনয়নপত্রগুলো আগামীকাল ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত যাচাই-বাছাই করা হবে। কোনো প্রার্থীর আবেদন বাতিল হলে তার বিপরীতে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। এসব আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ জানুয়ারি এবং তার পরদিন ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। প্রতীক পাওয়ার পর ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করতে পারবেন, যা ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলবে। সবশেষে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেশব্যাপী একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।







