শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো শেড অগ্নিকাণ্ড: নাশকতা নয়, শর্ট সার্কিটই মূল কারণ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো শেডে গত ১৮ অক্টোবরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বৈদ্যুতিক আর্ক ও শর্ট সার্কিটের কারণে—কোনো নাশকতার প্রমাণ মেলেনি।

স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন। পরে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সংবাদ সম্মেলনে জানান, তদন্তে ৯৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উঠে এসেছে:
– কুরিয়ার শেডে ৪৮টি ছোট লোহার খাঁচায় অফিস স্থাপন করা হয়েছিল, কিন্তু কোনো অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা (ফায়ার অ্যালার্ম, স্মোক ডিটেক্টর, স্প্রিঙ্কলার) ছিল না।
– দাহ্য পণ্য (কাপড়ের রোল, রাসায়নিক, পারফিউম, ব্যাটারি) অগোছালোভাবে রাখা হয়েছিল।
– ২০১৩ সাল থেকে এই এলাকায় ৭টি বড় অগ্নিকাণ্ড হয়েছে, যা থেকে শিক্ষা নেওয়া হয়নি।

কমিটি সুপারিশ করেছে: বিমানবন্দরের জন্য স্বতন্ত্র কর্তৃপক্ষ গঠন, সিভিল এভিয়েশনকে কেবল নিয়ন্ত্রক রাখা, বিপজ্জনক পণ্যের জন্য পৃথক গুদাম এবং অ্যাপ্রোন এলাকায় পণ্য সংরক্ষণ নিষিদ্ধ করা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top