রাজনৈতিক ঐক্যের ধারাবাহিকতায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরের সাথে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে ধারাবাহিক সফরের অংশ হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও […]
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে ধারাবাহিক সফরের অংশ হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও […]
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সাক্ষী হতে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকা। দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে বঙ্গভবনের দরবার হলের পরিবর্তে এবার প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের যে আনুষ্ঠানিক চিত্র নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রকাশ করেছে, তাতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক শক্তির ভারসাম্যে
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন ধারার সূচনা করে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সাথে বৈঠকের পরপরই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তিত্ব
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে এক বিশাল পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছে বাংলাদেশ। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক দীর্ঘস্থায়ী তিক্ততা ও দূরত্বের অবসান ঘটিয়ে এক নতুন ও ইতিবাচক অধ্যায়ের সূচনা করলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রবিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে তিনি রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বাসভবনে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। নির্বাচনের পর সরকার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে এক জাদুকরী পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও স্থবিরতা কাটিয়ে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীদের কাছে পরাজয় বরণের পর প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে নিজের প্রতিক্রিয়া
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর প্রথমবারের মতো দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের রাজনৈতিক দর্শন ও আগামীর রাষ্ট্র পরিচালনার
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ ও ঐতিহাসিক বিজয়ের পর রাজনৈতিক সৌজন্যবোধ ও সহাবস্থানের এক অনন্য নজির স্থাপন করতে যাচ্ছেন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল দলের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সামলানো। ২৯৯টি আসনের মধ্যে
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে আগামী মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে বিজয়ী হওয়া জনপ্রতিনিধিরা এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করবেন। সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা শনিবার রাতে নিশ্চিত করেছেন যে, ওই দিন সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হবে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে সারা দেশে ১১-দলীয় জোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর পরিকল্পিত হামলা, বাড়িঘর ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের বিষয়ে সকল আইনি জটিলতা ও বিভ্রান্তির অবসান ঘটতে যাচ্ছে। মহামান্য
বাংলাদেশে দীর্ঘ ১৮ বছরের রাজনৈতিক টানাপোড়েন আর জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী রূপান্তর প্রক্রিয়ার পর অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এক ঐতিহাসিক