মব কালচার শেষ, পুলিশ হবে জনগণের বন্ধু: সচিবালয়ে প্রথম দিনেই কড়া বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
নতুন সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই দেশে প্রচলিত ‘মব কালচার’ বা উচ্ছৃঙ্খল জনতার সংঘবদ্ধ আক্রমণের সংস্কৃতি চিরতরে বন্ধের […]
নতুন সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই দেশে প্রচলিত ‘মব কালচার’ বা উচ্ছৃঙ্খল জনতার সংঘবদ্ধ আক্রমণের সংস্কৃতি চিরতরে বন্ধের […]
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর প্রথম কর্মদিবসেই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন তারেক রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১০টায় দেওয়া
বাংলাদেশে এক নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নবনির্বাচিত সরকার। তবে শুরুতেই আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে ‘১৮০ দিন’ মেয়াদের একটি বিশেষ সময়সীমা। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ হিসেবে আলাদা শপথ নিয়ে ১৮০ দিনের মধ্যে সংস্কার কাজ শেষ করার কথা ছিল
দেশের আকাশে আজ বুধবার পবিত্র রমজান মাসের রহমতের চাঁদ দেখা গেছে। এর ফলে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান
শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের কাঠামো চূড়ান্ত হয়েছে। দেশের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নিয়ে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বিকেল ৩টা ৫৫ মিনিটে প্রবেশ করেন। তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং একমাত্র সন্তান ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
দীর্ঘ দেড় বছর রাষ্ট্র সংস্কার ও গণতান্ত্রিক ধারা পুনরুদ্ধারের গুরুদায়িত্ব পালন শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া তাঁর বিদায়ী ভাষণে জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সাক্ষী হতে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকা। দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে বঙ্গভবনের দরবার হলের পরিবর্তে এবার প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে এক জাদুকরী পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও স্থবিরতা কাটিয়ে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর প্রথমবারের মতো দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের রাজনৈতিক দর্শন ও আগামীর রাষ্ট্র পরিচালনার
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে আগামী মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে বিজয়ী হওয়া জনপ্রতিনিধিরা এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করবেন। সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা শনিবার রাতে নিশ্চিত করেছেন যে, ওই দিন সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হবে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে সারা দেশে ১১-দলীয় জোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর পরিকল্পিত হামলা, বাড়িঘর ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের বিষয়ে সকল আইনি জটিলতা ও বিভ্রান্তির অবসান ঘটতে যাচ্ছে। মহামান্য